উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশের ন্যায় ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনেও শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দোহার উপজেলার রায়পাড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের জামাল চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সকাল ৮ টার দিকে দিকে উপস্থিতি কম থাকলেও তা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। ভোটের প্রথম প্রহরে এই কেন্দ্রে বড় দুই রাজনৈতিক শক্তির বাইরে অন্য কোনো প্রার্থীর সাংগঠনিক তৎপরতা চোখে পড়েনি।
সকাল ৭:৪৫ মিনিটে সরেজমিনে দেখা যায়, ১৭২২ জন ভোটারের এই কেন্দ্রে শুধুমাত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ‘ধানের শীষ’ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কার সহায়তা কেন্দ্র বা হেল্প ডেস্ক সক্রিয় রয়েছে। ভোটাররা কেন্দ্রে আসার পর এই দুটি বুথ থেকেই মূলত তাদের সিরিয়াল নম্বর ও ভোটার তথ্য সংগ্রহ করছেন।
বিপরীত চিত্র দেখা গেছে এই আসনের বাকি চার প্রার্থীর ক্ষেত্রে। এই কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী অন্তরা হুদার ‘হরিণ’, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের ‘হাতপাখা’, জাতীয় পার্টির ‘লাঙ্গল’ এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির ‘আনারস’ মার্কার কোনো সহায়তা কেন্দ্র বা পোলিং এজেন্টের দেখা মেলেনি। এমনকি কেন্দ্রের আশেপাশে এসব প্রার্থীর সমর্থকদের কোনো সরব উপস্থিতিও পরিলক্ষিত হয়নি।
সাধারণ ভোটাররা বলছেন, বড় দুই দল আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে থাকলেও অন্য প্রার্থীরা কেন অনুপস্থিত, তা নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি বাড়লে অন্য প্রার্থীদের কর্মীরা মাঠে নামবেন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।











