নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার বরপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হাবিবা আক্তারের মানসিক ভারসাম্যহীন গৃহকর্মী লিজা আক্তার(১৪) আত্মহত্যা করেছে।
গত ১৬ফেব্রুয়ারি সোমবার গৃহকর্মী বসতঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় উড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। লিজা আক্তার ভোলা জেলার চর নিজাম কালকিনি এলাকার নিরব হোসেনের মেয়ে। সে গত এক মাস যাবৎ শিক্ষিকা হাবিবা আক্তারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিলো।
শিক্ষিকা হাবিবা আক্তার ও তার স্বামী ব্যবসায়ী খন্দকার জগলুল হক রানা বরপা গ্রামের আবু সাউদ ভুঁইয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন।ঘটনার সময় হাবিবা আক্তার ও তার স্বামী খন্দকার জগলুল হক রানা তাদের কর্মস্থলে নিয়োজিত ছিলেন বলে জানা গেছে। বাড়ির অন্য সকল ভাড়াটিয়ারা জানালা দিয়ে লিজার ঝুলন্ত লাশ দেখে হাবিবা আক্তারকে খবর দিলে হাবিবা আক্তার এসে লাশ দেখে রূপগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দেন।খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেন।
লিজা আক্তারের পিতা নিরব হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে লিজা আক্তার মানসিক ভারসাম্যহীন ও এজমা রোগে আক্রান্ত ছিলো। এ ব্যাপারে লিজা আক্তারের চাচা শামিম মিয়া বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় অপমৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।











