মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে লড়াই যদি আরও এক সপ্তাহ স্থায়ী হয়, সেক্ষেত্রে প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের (ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী অস্ত্র) তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন একজন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ।’দি ইকোনমিস্ট’-এর ডিফেন্স এডিটর শশাঙ্ক জোশির মতে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উদ্দেশ্য পরিবর্তনের ফলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে এক ধরণের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোশি জানান, হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অবস্থানের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘তিন দিন আগে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যুদ্ধের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তাতে ইরানের জনগণকে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে তারা শুধুমাত্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন।’ এই নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সম্ভবত ইরানের প্রতিটি অপারেশনাল পয়েন্টে হামলা চালিয়ে তাদের যুদ্ধের সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে। জোশি ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, ‘আমরা কেবল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টাই দেখব না, বরং এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও দীর্ঘমেয়াদী হামলা হতে দেখব।’ জোশি আরও উল্লেখ করেন যে, নিরাপত্তার খাতিরে কোনো দেশই তাদের মজুতকৃত ‘প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের’ প্রকৃত পরিমাণ প্রকাশ করে না। তবে তার ধারণা, ‘যুদ্ধ যদি আরও এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকে, তবে বিশেষ করে ‘অত্যন্ত উচ্চমানের প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের’ ক্ষেত্রে ভয়াবহ সংকট দেখা দিতে পারে।’













