সর্বশেষ

যমুনার নৌপথে সশস্ত্র পাহারায় অবৈধ বালু উত্তোলন

স্টাফ রিপোর্টার

যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে সশস্ত্র পাহারায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ বালু মাফিয়া চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ,ভয়ংকর অস্ত্রধারী একদল সন্ত্রাসী নদীর দুর্গম চরাঞ্চলগুলো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগে বলা হয়, এই চক্রটির নেতৃত্ব দিচ্ছে একাধিক হত্যা মামলার আসামি এবং ২০২৩ সালে র‍্যাবের কাছে আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থী নেতা বাপ্পি।

তিনি সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল যমুনার চরাঞ্চলে ত্রাস হিসেবে পরিচিত বলে দাবি স্থানীয়দের। অনুসন্ধানে উঠে আসা এলাকা ২৮ এপ্রিল ২০২৬ রাতে সরেজমিন অনুসন্ধানকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও বেলকুচি উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম চরাঞ্চলে এ অবৈধ বালু উত্তোলনের কার্যক্রম দেখা যায় বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে—টাঙগাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়ন এলাকার চরাঞ্চল:কাকুয়া,গয়লা হোসেন,দেওগোলা,আরগোলা,গোপালতিথি,রাজনগর।

এছাড়াও বেলকুচি উপজেলার চরাঞ্চল: মেহেরনগর চর (চর বড়ধুল)চরবেল ক্ষিদ্রচাপড়ী ক্ষীদ্রচাপরি চর ভাঙ্গাবাড়ি চরাঞ্চল,রামধানপুর চর স্থানীয়দের দাবি, এসব এলাকায় সশস্ত্র অস্ত্রধারীদের পাহারায় এবং কিছু স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাকর্মীর যোগসাজশে ৮–৯টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন চলছে।

বিমানবন্দরে ঘটনার মামলায় জামায়াত নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

অস্ত্রের মুখে নৌপথ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, যমুনা নদীতে চলাচলকারী বাল্কহেডগুলোকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বালু লোড ও আনলোড করানো হচ্ছে। এসময় বালু মাফিয়া চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সশস্ত্র বাপ্পি। এছাড়া বাল্কহেড নিয়ন্ত্রণের সময় বাপ্পি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীর প্রতিবাদ অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং নিজেদের বসতভিটা রক্ষার্থে শত শত গ্রামবাসী যমুনা নদীর তীরে অবস্থান নেন। তবে এত কিছুর পরও স্থানীয় প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ তাদের।

স্থানীয়দের দাবি, যমুনার নৌপথে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে বাংলাদেশ নৌপুলিশের নিয়মিত টহল থাকার কথা থাকলেও ঘটনাস্থলে কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। নৌপুলিশের বক্তব্য এর আগে ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে টাঙ্গাইল জেলা নৌপুলিশের পুলিশ সুপার সোহেল মাহমুদকে বিষয়টি একাধিকবার অবগত করা হলেও তিনি কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তবে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে নৌপুলিশের পুলিশ সুপার সোহেল মাহমুদ বলেন,গুলির ঘটনা শুনিনি, তবে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়টি শুনেছি।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফোর্স পাঠানো সম্ভব হয়নি।”এলাকাবাসীর অভিযোগ এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি ও গুলি ছোড়ার ঘটনায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যমুনা চরাঞ্চলে বড় ধরনের সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

ইউপি ও পৌর নির্বাচনে বিগত ১৭ বছরের সংগ্রামী ও জনপ্রিয় প্রার্থীরাই পাবেন বিএনপির সমর্থন: মীর শাহে আলম

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

দৈনিক আমাদের খবর একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ ও জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নির্ভুলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

×

নিউজ কার্ড প্রিভিউ (HTML Version)

News Image
২৯ এপ্রিল ২০২৬
Trulli

যমুনার নৌপথে সশস্ত্র পাহারায় অবৈধ বালু উত্তোলন