মহসিন খান বুলবুল,সাভার:
ঢাকা জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সাভারে আধুনিক, জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিত করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল আমিন।
যোগদানের পর থেকেই তার গতিশীল নেতৃত্ব, কঠোর তদারকি এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সাভার উপজেলা ভূমি অফিসের সেবার মানে এসেছে আমূল পরিবর্তন।
সম্প্রতি ঢাকা জেলার ১৯টি সার্কেলের ভূমি সেবা সংক্রান্ত মূল্যায়নে সাভার সার্কেল দ্রুততম সময়ে মানসম্মত নামজারি (মিউটেশন) নিষ্পত্তি করে ৯ম অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। জনবহুল ও জটিল এই সার্কেলে এটি একটি যুগান্তকারী অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিনে ও অফিস সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান এসিল্যান্ড যোগদানের পর থেকে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ বা মিসকেস নিষ্পত্তিতে তিনি রেকর্ড গড়েছেন। শুনানির জট কমিয়ে তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ১,০০০ (এক হাজার) মিসকেস সফলভাবে নিষ্পত্তি করেছেন, যা সাভারের ভূমি ব্যবস্থাপনার ইতিহাসে অন্যতম এক নজির।
রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও সাভার ভূমি অফিস এখন শীর্ষে। আবদুল্লাহ আল আমিনের দক্ষ নির্দেশনায় এই সার্কেল লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শতভাগ (১০২%) ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করতে সক্ষম হয়েছে।
ভূমি সেবা সহজ করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা পালন করছেন এই কর্মকর্তা। সাভারের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি খাল, খাস জমি ও বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পত্তি অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে উদ্ধার করতে তিনি “জিরো টলারেন্স”নীতি ঘোষণা করেছেন। তার এই কঠোর অবস্থানের কারণে একদিকে যেমন সরকারি সম্পত্তি রক্ষা পাচ্ছে, অন্যদিকে পিছু হটছে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা।
কয়েকজন ভূমি সেবাগ্রহীতা জানান, “আগে ভূমি অফিসে আসতে ভয় পেতাম। কিন্তু বর্তমান এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল আমিন স্যার যোগদানের পর থেকে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়েছে। তিনি নিজে সাধারণ মানুষের কথা শোনেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান করে দেন।”
সাভার উপজেলা ভূমি অফিসকে একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে এবং সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের রূপকল্প বাস্তবায়নে এসিল্যান্ড আবদুল্লাহ আল আমিনের এই জনবান্ধব কর্মযজ্ঞ সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।













