পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া বন্দরে দুইটি মসজিদ, একটি ব্যাংক, গার্মেন্টস ও কাপড়িয়া পট্টি সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় পাঠশালার বড় মন্দির এলাকার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ সরকারি রাস্তা দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে কালাইয়া হায়াতুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ঘরটির ভাড়াটিয়া দাশপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে।
পরে স্থানীয় জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীদের ডাকে সাড়া দিয়ে মানবিক মানবতার দৃষ্টিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্মাণকাজ বন্ধ সহ ইটের দেয়াল ভেঙে সরকারি রাস্তা উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়েছে।
শনিবার (০১ আগস্ট-২৬) বেলা ১১ টার দিকে কালাইয়া মার্চেন্ট পট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় গার্মেন্টস ব্যাবসায়ী মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ সায়েম সরদার, সুমন সহ ১০০ জন গনস্বাক্ষরকারীরা অভিযোগ করে বলেন- দীর্ঘ বছর ধরে ব্যবহৃত প্রবেশপথটি অবরুদ্ধ করে ঘর নির্মাণ করা হলে আশপাশের দুইটি মসজিদ, একটি ব্যাংক,১ টি মন্দির গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান এবং কাপড়িয়া পট্টির ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হবে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রবেশপথটি বন্ধ হয়ে গেলে জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সমস্যায় পড়বে। এছাড়া মসজিদ মাঠে জানাজার নামাজে মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, মুগদারের খাট, ব্যবসায়ীদের গুদামের পণ্যবাহী যানবাহন এবং অটোরিকশা সহ অন্যান্য যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হবে। তারা জানান- আজ থেকে এক সপ্তাহ পূর্বে রাস্তা দখল করে ইটের দেয়াল করায় তা দ্রুত ভেঙে সরাতে বলা হয়।
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানিয়ে সবাই একত্র হয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ সহ ইটের দেয়াল ভেঙে সরকারি রাস্তা উদ্ধারের চেষ্টা করেন।
কালাইয়া হায়াতুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন- আমাদের জায়গা ওখানে আছে মানবিক স্বার্থে আমরা রাস্তার প্রয়োজনে যায়গা দেয়া যেতে পারে। তবে ঘরটির ভাড়াটিয়া মোঃ কামাল হোসেন বলেন- জায়গা আমার না। আমি একজন ভাড়াটিয়া হিসেবে ছিলাম। আমার মালামাল আমি সরিয়ে নিয়ে গেছি।
স্থানীয়রা জনস্বার্থে প্রবেশপথটি উন্মুক্ত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন- তদন্ত করে স্কুলের জায়গা আছে কিনা দেখা হবে এবং রাস্তা বন্ধ করার এখতিয়ার আমাদের কারো নেই। পরবর্তীতে রাস্তাটির যায়গা ঠিক রেখে ঘর নির্মাণ করা হবে। (০১/০৮/২০২৬)















