রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে মঞ্চ ৭১-এর আয়োজনকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তবে তিনি অনুষ্ঠানে এখনো উপস্থিত হননি। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্রকে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী মিলনায়তনে অবরুদ্ধ ছিলেন। এরপর লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৯ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে লতিফ সিদ্দিকীসহ তাদের কয়েকজনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।
অনুষ্ঠান সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ অতিথিরা আগে পৌঁছান। খবর পেয়ে ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে আল আমিন রাসেলের নেতৃত্বে কিছু শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা অনুষ্ঠানস্থল ঘেরাও করে রাখেন। তারা লতিফ সিদ্দিকী ও উপস্থিত আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতা-কর্মীদের প্রবেশ ও অবস্থান ঠেকাতে অবরোধ গড়ে তোলেন।
এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনা দেখা দেয়। ছাত্র-জনতার সঙ্গে যোগ দেন স্থানীয় যুবদল ও বিএনপি নেতা-কর্মীরাও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল আসাদের নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। উত্তেজিত পুলিশকে ছাত্র-জনতা লতিফ সিদ্দিকী ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আটক করার অনুরোধ জানান। এর আগে সংঘর্ষে যুবলীগের তিন কর্মী ও আওয়ামী লীগের দুই নেতাসহ সাতজনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে আটক রাখার অভিযোগ উঠে।
রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘লতিফ সিদ্দিকীসহ কয়েকজনকে ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়েছে; মূলত উনাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এখন সিনিয়রদের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।’











