মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে রাজানগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল রাজানগর ইউনিয়নের সৈয়দপুর এলাকায় রাস্তার পাশের দুটি সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যান সাইফুল মেম্বার।
তবে সে সময় তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। পরে গত বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে একই এলাকার রাস্তার পাশের আরও একটি বড় সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাইফুল মেম্বার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাটি কাটা, সালিশ বাণিজ্য, সরকারি সম্পত্তি দখল এবং সরকারি গাছ কাটাসহ বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির মামলাও রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি এসিল্যান্ডের সঙ্গে কথা বলেছি।
তিনি বলেছেন, যেখান থেকে গাছ কেটেছি সেখানে কয়েকটি গাছ লাগিয়ে দিতে।” এর আগেও সরকারি গাছ কাটার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনি যা লেখার লিখেন।” এ বিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ জানান, “বিষয়টি আমি জেনেছি। এর আগেও তাকে সতর্ক করা হয়েছিল। এসিল্যান্ডও তাকে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু অনুমতি ছাড়াই সরকারি গাছ কাটা হয়েছে। আমরা তাকে ডেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”














