কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পশ্চিম জোড়কানন এলাকায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় এক কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে মাদক মামলায় মিথ্যা আসামি করার অভিযোগ উঠেছে সদর দক্ষিণ মডেল থানার পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর দাবি, তিনি কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং তাকে অন্যায়ভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে।
জানা গেছে, মামলার আসামি ইকরাম হোসেন স্থানীয় চৌয়ারা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করেছেন বলেও দাবি করেন।
ইকরাম হোসেন জানান, চলতি মাসের শুরুতে এক সন্ধ্যায় সদর দক্ষিণ মডেল থানার দুই পুলিশ সদস্য তাদের বাড়িতে যান। এ সময় তারা ইকরামের বাবা-মাকে জানান, তার বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা হয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে তাকে খোঁজা হচ্ছে। তখনই প্রথমবারের মতো তিনি বিষয়টি জানতে পারেন।
পরে মামলার কপি সংগ্রহ করে তিনি দেখতে পান, যেদিন ও যে সময়ে ঘটনাটি উল্লেখ করা হয়েছে, সে সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওইদিন তিনি চৌয়ারা বাজারে কাঁচা তরকারি কিনতে গিয়েছিলেন এবং পরে বাড়িতে ফিরে আসেন।
ইকরাম বলেন, আমার মাদকের সঙ্গে কখনো কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। অথচ সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই জনি কান্তি দে ও এএসআই কবির হোসেন আমাকে গায়েবি ও মিথ্যা মামলার আসামি করেছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি মাদকের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। পুলিশ আমাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে। সুষ্ঠু তদন্তে যদি আমার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাহলে আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর সম্পৃক্ততা না থাকলে আমার নাম মামলা থেকে প্রত্যাহার করা হোক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই জনি কান্তি দে বলেন, একজন আসামিকে গ্রেফতারের পর তার দেওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ইকরামের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে যদি তার বিরুদ্ধে কোনো সম্পৃক্ততা না পাওয়া যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই তার নাম মামলা থেকে বাদ যাবে।
















