সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিয়ামত উল্লার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি করেছেন এস আই নেয়ামত।
চিহ্নিত কয়েকজন মাদক কারবারি ও একটি স্বার্থান্বেষী মহল ভূঁইফোড় কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করছেন বলেও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি ।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সাভারের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শামীম রেজাকে গ্রেপ্তারসহ একাদিক সফল ও সাহসী অভিযান পরিচালনা করেন এসআই নিয়ামত উল্লা। সাভারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতিতে তাঁর এই বিশেষ ভূমিকা অপরাধী চক্রের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে চিহ্নিত অপরাধী ও সুবিধা-বঞ্চিত কুচক্রী মহলটি একজোট হয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মনগড়া ও কাল্পনিক তথ্য দিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এই অপপ্রচারের বিষয়ে ভুক্তভোগী এসআই নিয়ামত উল্লা বলেন:
”আমি সবসময় সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছি। অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখায় একটি চক্রান্তকারী মহল আমার বিরুদ্ধে লেগেছে। একটি ১৫ সেকেন্ডের খণ্ডিত বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
ঘটনার আসল প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে তিনি আরও জানান, “আসামি শামীম রেজাসহ অন্যদের গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফোনগুলো আসামিদের পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি যেন অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো রূপ না নেয়, সে জন্য স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের গোপন রাখতে বলা হয়েছিল। অথচ একটি ভালো নিয়তকে বিকৃত করে আমাকে হেয় করার অপচেষ্টা চলছে। কোনো অনৈতিক কাজের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
এ সময় তিনি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়ে সংবাদ পরিবেশনের আগে ঘটনার সত্যতা যাচাই করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান।
এদিকে একজন সৎ ও কর্তব্যপরায়ণ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন ষোলোআনা মিথ্যা প্রচারে সাভার মডেল থানার সহকর্মী ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিক সমাজের মতে, সৎ ও দূরদর্শী পুলিশ কর্মকর্তাদের কাজের মানসিকতা ভেঙে দিতেই এটি একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। এই অপপ্রচারকারী চক্রটিকে দ্রুত চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা ঊর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।













