তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি মূল্যায়ন শেষ করে অল্প সময়ের মধ্যেই এ প্রকল্পের পাইলট কাজ শুরু করা হবে।
শনিবার কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী ও রাজীবপুরের নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে চিলমারী বন্দর এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তিস্তা একটি বড় আকারের প্রকল্প। ফলে এটি একদিনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি টেকনিক্যাল কমিটি কাজ করছে।
পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেও মতামত ও কারিগরি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। এসব মতামত বিশ্লেষণের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।
কুড়িগ্রামের নদীভাঙন পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, চিলমারী বন্দরসহ জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। নদীভাঙন ঠেকাতে এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে দুটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
সরকারি উদ্যোগের বিষয়ে তিনি বলেন, নদীভাঙনের কারণে কোনো মানুষের বাড়িঘর, বাজার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন বিলীন হয়ে না যায়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রীর দাবি, কুড়িগ্রামের প্রায় ১০০টি ভাঙনপ্রবণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ চলছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও এলাকায় কার্যক্রম বাড়ানো হবে। পরে গাইবান্ধায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান দুটি প্রকল্পও পরিদর্শনের কথা জানান তিনি।













