দেশীয় গবেষণায় উদ্ভাবিত এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও গোটপক্সের ভ্যাকসিন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করে খামারিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) উদ্ভাবিত এসব ভ্যাকসিন বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত দেশের কৃষি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। রোগ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে খামারিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।বিশেষ করে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগ পোলট্রি উৎপাদন ও খামার ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দেশের নিজস্ব প্রযুক্তিতে কার্যকর ভ্যাকসিন তৈরি ও উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
মন্ত্রী বলেন, গবেষণাগারে কোনো উদ্ভাবন সীমাবদ্ধ থাকলে তার পূর্ণ সুফল পাওয়া যায় না। তাই গবেষণার ফলকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে নিয়ে গিয়ে সরাসরি খামারিদের কাজে লাগানোই এখন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যদেশীয়ভাবে ভ্যাকসিন উৎপাদন বাড়লে আমদানিনির্ভরতা কমার পাশাপাশি উৎপাদন খরচও কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর ইতিবাচক প্রভাব প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতের উৎপাদন ব্যয়ের ওপর পড়বে বলে জানান তিনি।মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশীয় ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হওয়া স্বনির্ভরতার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। ওষুধ ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে দেশ যত বেশি সক্ষম হবে, ততই উৎপাদন ব্যয় কমবে।অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বিএলআরআই, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও খামারি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।












