আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার জন্য নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে কথোপকথনের সময় কাদের আন্দোলনকারীদের মারধরের নির্দেশনা দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।
রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ওবায়দুল কাদের সাদ্দামকে উদ্দেশ করে বলেছিলেন, ‘তোমরা মারো না কেন? মারো।’ তার দাবি, এভাবেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন সময় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উৎসাহিত করা হয়েছিল।
আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ওবায়দুল কাদের ‘দেখা মাত্রই গুলি’ করার নির্দেশনাও দিয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, ১১ জুলাই সাদ্দামের সঙ্গে কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের মারার বিষয়ে উসকানি দেওয়ার পর ১৬ জুলাই ওয়াসিম, আবু সাঈদসহ কয়েকজন নিহত হন।তিনি দাবি করেন, ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলির ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হন এবং প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আহত হয়ে পঙ্গুত্বের শিকার হন।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আন্দোলন দমনে ছাত্রলীগই যথেষ্ট—এমন কথাও ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন। তার মতে, এসব কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় দেশজুড়ে বড় ধরনের হত্যাকাণ্ড এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।












