পেশাদারিত্ব, সততা ও সাহসিকতার এক অনন্য নজির স্থাপন করে সাভার মডেল থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুদৃঢ় করে চলেছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল আলম। বাংলাদেশ পুলিশের ৯৭ ব্যাচের এই মেধাবী কর্মকর্তা নিজের কর্মদক্ষতা ও জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মাধ্যমে এর আগেও একাধিকবার ‘শ্রেষ্ঠ ওসি’ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।
বর্তমানে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল শিল্পাঞ্চল সাভারে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।
অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থান সাভার এলাকাটি শিল্প, বাণিজ্য ও ঘনবসতির কারণে সবসময়ই অপরাধের দিক থেকে বেশ সংবেদনশীল। সাভার মডেল থানায় যোগদানের পর থেকেই ওসি সাইফুল আলম এলাকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেন। মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে তাঁর নেতৃত্বে থানা পুলিশ নিয়মিত ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে আসছে। তাঁর এই কঠোর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপে এলাকার অপরাধ প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
জনবান্ধব পুলিশিং ও আস্থার প্রতীক শুধু অপরাধ দমনেই নয়, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তিনি থানা পুলিশ ও জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে এনেছেন। থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনো রকম হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে তিনি সর্বদা কড়া নজর রাখেন। ছোট-বড় যেকোনো সমস্যায় থানায় আসা সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং দ্রুত আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তিনি অনন্য উদারতার পরিচয় দিয়েছেন। এর ফলে সাভারের সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থার এক নির্ভরযোগ্য প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি
এর আগেও কর্মজীবনে তাঁর অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একাধিকবার ‘শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি)’ নির্বাচিত হয়েছেন মো. সাইফুল আলম। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ উদ্ঘাটন এবং বিট পুলিশিং কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে তাঁর এই অর্জন পুলিশ বাহিনীর অন্যান্য সদস্যদের জন্যও অনুপ্রেরণাদায়ক।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রত্যাশা এ বিষয়ে ওসি মো. সাইফুল আলম জানান, জনগণের জানমালের সুরক্ষা দেওয়া এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই বাংলাদেশ পুলিশের মূল লক্ষ্য। সাভারকে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা সাইফুল আলমের মতো পেশাদার, সৎ ও সাহসী কর্মকর্তাদের এমন কর্মতৎপরতা বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে এবং সাধারণ মানুষের আস্থার ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।
















