তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, যারা জনগণের মনস্তত্ত্ব ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা বুঝতে পারে না এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজেদের অপরাজেয় মনে করে, ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে তারা কতটা নির্বোধ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পলায়ন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে নতুন সম্ভাবনার সূচনা করেছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (DUDS) আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ’ শীর্ষক প্রদর্শনী বিতর্ক ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “স্বাধীনতার পর জনগণের মূল প্রত্যাশা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা। কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর ব্যর্থতার কারণেই বিভিন্ন সময়ে জনগণকে রাজপথে নামতে হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর অর্জিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দেশ আজ একটি নির্বাচিত সরকার ও নির্বাচিত সংসদের জায়গায় দাঁড়িয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এই গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ কতটা গণতান্ত্রিক পথে এগোতে পারছে, তা নিয়ে গঠনমূলক বিতর্ক হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বাস্তব বিষয়গুলো নিয়ে যুক্তিতর্ক না করাই গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান সংকট। তাই বিতর্ক চর্চাকে একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার স্বার্থে অতীতের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কারে কিছুটা সময় দেওয়া প্রয়োজন।



















