দেশের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর অভিযোগ, অতীতে নেওয়া কিছু অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের প্রভাবেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি সরকার অস্বীকার করছে না। বরং সংকট মোকাবিলায় বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
স্বাস্থ্য খাত নিয়েও সমাবেশে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, চিকিৎসকদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করার প্রস্তাবও ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
চিকিৎসক ও রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ ভাতা ও প্রণোদনা এবং বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে আরও আধুনিক করতে ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপরও জোর দেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে, রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন করা জরুরি।
সরকারের সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ আগামী পাঁচ বছরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।




















