ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া শরিফ মার্কেট এলাকার মৃত পল্লী চিকিৎসক ফজলুর আপন ছোট ভাই ডাঃ পরিচয়দানকারী ইয়াবা টেবলেট মাদকসহ ধরা পড়ায় স্থানীয়রা তার ভাইয়ের ওষুধের দোকান থেকে বের করে দেন। প্রশ্ন: মাদকের সাথে জড়িত ‘ডাক্তার’ খোরশেদের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির ও রোগীদের ভুল চিকিৎসা করার অভিযোগ রয়েছে।
আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার পরিচিত মাদক ব্যবসায়ী খোরশেদ ৬ মাসের কথিত কোর্স করে এখন ডাক্তার সেজে চেম্বার খুলে বসেছে। তার দেওয়া ভুল ওষুধে রোগীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল, তারা দ্রুত এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে অভিযুক্ত খোরশেদ এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। এক সময়ের মাদক ব্যবসায়ী খোরশেদ এখন তিনি ডাক্তার। মাত্র ৬ মাসের কোর্স করেই চিকিৎসা দিচ্ছেন রোগীদের। ভুল প্রেসক্রিপশন আর ভুল ওষুধে সাধারণ মানুষের জীবন এখন হুমকির মুখে। এলাকাবাসী বলছেন, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভোক্তারা সঠিক বিচার পাবেন না।
জানা গেছে, আশুলিয়ার জামগড়াসহ সাভার উপজেলায় প্রায় ১০ হাজারের বেশি নামে-বেনামে ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান হয়েছে, এমনকি রাস্তার পাশে ফুটপাতেও ওষুধের দোকান দিয়ে দিব্বি ওষুধ বিক্রি করছে যারা তাদের বেশিরভাগ দোকানদারের ধারণা নেই কি ওষুধ সেবনে কি রোগ ভালো হয়।
এ বিষয়ে বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন একাধিক অভিযান পরিচালনা করলেও কোনভাবেই তা বন্ধ হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। উক্ত বিষয়ে একাধিক ভিডিও চিত্র সংরক্ষিত রয়েছে।













