সর্বশেষ

ভারত ধর্মশালা নয়, নাগরিকরাই থাকবেন

অনলাইন ডেস্ক

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ভারত কোনো ধর্মশালা নয়। দেশের মাটিতে বসবাস করা এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার শুধু ভারতীয় নাগরিকদের। অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও জনবিন্যাসের জন্য বড় হুমকি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে গোয়েন্দা ব্যুরোর জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে এসব কথা বলেন অমিত শাহ। একই সঙ্গে আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

অমিত শাহ বলেন, গত আট মাসে দেশের সব স্থলসীমান্তবর্তী রাজ্যে গিয়ে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সীমান্ত নিরাপত্তার চার দফা কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে ভারতকে অনুপ্রবেশমুক্ত করাই কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে সীমান্তরক্ষী বাহিনী, রাজ্য প্রশাসন, কেন্দ্রীয় সংস্থা এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা, মুখ্যমন্ত্রীসহ পিটিআই নেতাদের গ্রেপ্তারের খবর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষায়, ‘এই দেশ কোনো ধর্মশালা নয়। এই দেশে বসবাস করার অধিকার কেবল নাগরিকদের।’ তার মতে, অনুপ্রবেশকে শুধু জাতীয় নিরাপত্তার সমস্যা হিসেবে দেখলে হবে না। এর সঙ্গে দেশের অর্থনীতি এবং জনবিন্যাসের ভারসাম্যের বিষয়টিও সরাসরি জড়িত।

২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েও বক্তব্য দেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, উন্নত ভারত গড়তে হলে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরে কী ধরনের নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হতে পারে, এখন থেকেই তা চিহ্নিত করে সেগুলো মোকাবিলার কৌশল তৈরি করা প্রয়োজন।

আগের সরকারগুলোর নীতিরও সমালোচনা করেন তিনি। তার অভিযোগ, মাদক পাচার, নকশালবাদ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অশান্তির মতো সমস্যাগুলো বড় আকার নেওয়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভারতকে দীর্ঘদিন এসব সমস্যার মূল্য দিতে হতো না।

যন্তর মন্তরে যেতে বাধা, দিল্লির বিভিন্ন স্থানে অবস্থান বিক্ষোভকারীদের

তার দাবি, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার তিনটি বড় সংকটপূর্ণ ক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ এখন অনেকটাই মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে। এ ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

মাদকবিরোধী লড়াইয়েও রাজ্যগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নতুন প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদক নিয়ন্ত্রণের নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন তিনি। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় গোয়েন্দা তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানোর কথা বলেন।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

দৈনিক আমাদের খবর একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ ও জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নির্ভুলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

×

নিউজ কার্ড প্রিভিউ (HTML Version)

News Image
২৬ আগস্ট ২০২৬
Trulli

ভারত ধর্মশালা নয়, নাগরিকরাই থাকবেন