আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান,সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক,হাজী আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী এবং সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে আজ (২৭ আগস্ট ২৬ইং)বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ পৌর সদর ধানবান্দি মতি সাহেবের ঘাট এলাকায় এক”প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন”অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন সূত্রে জানা যায়,সিরাজগঞ্জের প্রবীণ ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচিত পরিচালক,দানবীর,গরিব অসহায় মেহনতি মানুষের আশ্রয়স্থল পরোপকারী অসহায়দের পরম বন্ধু,বিশিষ্ট সমাজসেবক,সততা, ন্যায়পরায়ণ ব্যবসায়ী হাজী আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী স্বার্থান্বেষী মহল কিছুদিন যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। এই অপপ্রচার হুমকি চাঁদাদাবি,ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান,ব্যবসায়ী মহল এবং সিরাজগঞ্জের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।

তাদের দাবি,সকল প্রকার অপপ্রচারকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। চক্রান্তকারীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একজন সৎ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট অপ-প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী আব্দুস সাত্তারের কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা ও টাকা না দিলে তাঁর ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এ সংক্রান্ত কল রেকর্ডসহ সকল তথ্য-প্রমাণ তদন্তের আওতায় আনতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,টাকা না পেয়ে হাজী আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে সংবাদ প্রচারের অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা স্পষ্টকরে বলতে চাই—হাজী আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। সত্য উদঘাটন করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে।প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা আরোও বলেন,অপপ্রচার,হুমকি ধামকি,চাঁদাবাজি ও এরকম সম্মানি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের আমরা বিচার চাই।
হাজী আব্দুস সাত্তার প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বলেন,আমি সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের একজন নির্বাচিত পরিচালক। দীর্ঘদিন ধরে আমি বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি।
সম্প্রতি আমার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কতিপয় ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষ স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন বলে আমি জানতে পারি। এরই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন পূর্বে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী একজন ব্যক্তি আমার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে ফোন করে আমার নিকট- (বিশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করেন।
আমি উক্ত ব্যক্তিকে চাঁদা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন,টাকা দিলে দিতে হবে,অন্যথায় আমার “ক্যারিয়ার শেষ করে দেওয়া হবে”হুমকি দাতা অপপ্রচারকারী আরোও বলেন,আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জন্য টাকা বিনিয়োগ করার মতো লোক রয়েছে। একইসঙ্গে তিনি সাংবাদিকতার প্রভাব দেখিয়ে আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
পরবর্তীতে জাগো নিউজে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে,যা আমার জানা ও বিশ্বাসমতে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। উক্ত সংবাদে আমার ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি আমার ব্যবসায়িক স্বার্থও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। আমার ধারণা, পূর্বে আমার নিকট চাঁদা দাবি ও হুমকি প্রদানের ঘটনার সঙ্গে এ ধরনের অপপ্রচারের যোগসূত্র থাকতে পারে।
এ অবস্থায় আমি আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, পরিবারের নিরাপত্তা, ব্যবসায়িক সুনাম ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ও আশঙ্কাগ্রস্ত। ভবিষ্যতে উক্ত ব্যক্তি বা তার সহযোগীরা আমার বিরুদ্ধে আরও কোনো অপপ্রচার, হুমকি, চাঁদা দাবি, ক্ষতিসাধন অথবা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আমি আশঙ্কা করছি।
এই অপপ্রচার হুমকি চাঁদাদাবি,ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান,এবং দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করেন,সিরাজগঞ্জ সদর বিএনপির সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী ও ব্যবসায়ী মহল এবং সিরাজগঞ্জের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। দলমত নির্বিশেষে কয়েক হাজার নারী পুরুষও এতে অংশগ্রহণ করেন। তবে আজ উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালায় একটি কুচক্রী মহল।












