টিন সার্টিফিকেট থাকলেই কর পরিশোধ করতে হবে—এমন নয়। আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকলে রিটার্ন দাখিল করেও প্রদেয় কর শূন্য হতে পারে। এটিই সাধারণভাবে ‘জিরো ট্যাক্স রিটার্ন’ নামে পরিচিত২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য এনবিআরের ই-রিটার্ন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ২২ জুলাই থেকে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
প্রথমে এনবিআরের ই-রিটার্ন পোর্টালে গিয়ে টিন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। নতুন ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে ১২ ডিজিটের টিন, এনআইডি এবং এনআইডিতে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হতে পারে।
এরপর ‘রিটার্ন সাবমিশন’ অপশনে গিয়ে আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের প্রকৃত তথ্য দিতে হবে। জিরো রিটার্ন মানে সব ঘরে শূন্য বসিয়ে দেওয়া নয়। ব্যাংকে টাকা, সম্পদ বা বাস্তব কোনো ব্যয় থাকলে তা সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
২০২৬-২৭ করবর্ষে সাধারণ ব্যক্তির প্রথম ৪ লাখ টাকা আয় করমুক্ত। নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের ক্ষেত্রে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত।
সব তথ্য দেওয়ার পর ‘ট্যাক্স অ্যান্ড পেমেন্ট’ অংশে প্রদেয় করের হিসাব দেখা যাবে। কর শূন্য হলে রিটার্নটি জিরো ট্যাক্স রিটার্ন হিসেবে দাখিল করা যাবে। সাবমিটের পর অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ ও ট্যাক্স সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে।গুরুত্বপূর্ণ: আয় কম হলেও সম্পদ, ব্যয় ও দায় ইচ্ছাকৃতভাবে শূন্য দেখানো যাবে না। প্রকৃত তথ্য দেওয়াই সঠিক পদ্ধতি।












