কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলা চরশৌলমারী ইউনিয়নে ( ৩১ আগস্ট) সোমবার সকাল ১১ টার দিকে চরশৌলমারী ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন। চরশৌলমারী ডিগ্রি কলেজের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চরশৌলমারী ডিগ্রী কলেজের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অনিয়ম – দূর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন হয়েছে। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা স্লোগানে বলেন ফখরুল হঠাও কলেজ বাঁচাও দুর্নীতিবাজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও স্বেচ্ছাচারী সভাপতি অপসারণ চাই,
১।শিক্ষার্থীদের দাবি শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতিতে ক্লাস চাই,
২।অতিরিক্ত ভর্তি ফি ও ফরম পূরণ ফি বাতিল চাই
৩। অনিয়ম দুর্নীতি তদন্ত চাই
৪।সুশৃংখল শিক্ষার পরিবেশ চাই
৫। কলেজ একাউন্ট থেকে চার লক্ষ চৌদ্দ হাজার টাকার কাজ চাই
৬। দ্রুত ভারপাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণ চাই। স্বেচ্ছাচারী সভাপতি আনিছুর রহমান অপসারণ চাই। মানববন্ধনে -শিক্ষার্থী ও স্থানীয় অভিভাবকরা অংশ নেন। এতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক গণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বক্তব্য: হাসান মোল্লা (শিক্ষার্থী): “কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও সভাপতি মিলে প্রতিষ্ঠানের তহবিল আত্মসাৎ করেছেন । শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ফি-সংক্রান্ত কোনো স্বচ্ছতা নেই। আমরা এই দুর্নীতিগ্রস্ত চক্রের দ্রুত অপসরণ চাই।”
মো. রফিকুল ইসলাম (শিক্ষার্থী): “অসুস্থ অধ্যক্ষ স্যারের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কলেজটিকে নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তির মত ব্যবহার করছেন। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।”
মো. জাহাঙ্গীর আলম (শিক্ষার্থী): “আমরা একটি সুস্থ পড়াশোনার পরিবেশ চাই। কলেজের বিভিন্ন উন্নয়ন ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দুর্নীতির কারণে কলেজের নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।”মো. আব্দুল হামিদ (অভিভাবক ও আহ্বায়ক, কৃষক দল – চরশৌলমারী ইউনিয়ন শাখা): “একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অভিভাবক হিসেবে আমরা চরম উদ্বিগ্ন। অসুস্থতার কারণে নিয়মিত অধ্যক্ষ দায়িত্বে না থাকায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।”
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বক্তব্য:
তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলেন, “অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন অসুস্থ থাকায় ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমাকে আমি প্রশাসনিক ভাবে কাজ
করছি। একটি পক্ষ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে কলেজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই মিথ্যা অভিযোগ আনছে।”
অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন বলেন আমি অসুস্থ থাকার কারণে তাকে সামরিক ভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয় কিন্তু কোন নিয়োগ বা কোর্টের কোন আদেশ নাই।
মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।
















