জামায়াতে ইসলামীর আমিরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের প্রতি জামায়াত নেতৃত্বের নমনীয় অবস্থান দলটির বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্তকরেছে।রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মধ্যেই আওয়ামী লীগের বিষয়ে সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তার মতে, ভোটের রাজনীতির হিসাব থেকেই এমন অবস্থান নেওয়া হয় এবং এর ফলে ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে ‘নরমালাইজড’ হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী জামায়াতে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এতে বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে বা আড়ালে আওয়ামী লীগের লোকজন জামায়াতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাশেদ খাঁনের দাবি, আওয়ামী লীগের ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার কারণে দলটির অভিযুক্ত অপরাধীদের বিচার যথাযথভাবে এগোয়নি। বিচার না হলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর ইতালিতে হামলার অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এমন ঘটনার মধ্যেও সেই বেপরোয়া আচরণের প্রতিফলন দেখা গেছে।পোস্টে তিনি জামায়াত ও এনসিপির প্রতি আওয়ামী লীগের ব্যবসায়ী ও নেতাদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নেওয়া এবং রাজনৈতিক পুনর্বাসনের পথ বন্ধ করার আহ্বান জানান।একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার কথা বলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, জামায়াতের আমিরের উচিত এ বিষয়ে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং আওয়ামী লীগেরবিচার নিশ্চিত করার পক্ষে রাজনৈতিক ঐক্যের উদ্যোগ নেওয়া।তিনি সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হলে ভবিষ্যতে দলটি আবারও রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে পারে।












