মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার যমুনা নদীবেষ্টিত দুর্গম আলোকদিয়া চরাঞ্চলে প্রশাসনের কঠোর তৎপরতার মধ্যেও থামেনি অবৈধ বালু উত্তোলন। নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে একাধিক ড্রেজার বসিয়ে বালু লুটের অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের অভিযোগ,জেলা প্রশাসন ও শিবালয় উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বালু উত্তোলনকারীদের তৎপরতা কিছুটা কমলেও, সুযোগ বুঝে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে চক্রটি। দুর্গম চরাঞ্চল ও বিস্তীর্ণ নদীপথের সুযোগ নিয়ে তারা নিয়মিত বালু তুলছে।
আজ (১০সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং)বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে একাধিক ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। এভাবে অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও তীরভাঙনের ঝুঁকি তৈরির পাশাপাশি, জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ৭ ও ৮ নম্বর টাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার জানিয়েছেন,অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে ও সংশ্লিষ্টদের নজরদারি এবং টহল জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে,এই চক্রের মূলহোতাদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী ও নদী রক্ষা আন্দোলন।
















