পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলনিয়া গ্রামে ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি (১০) ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে এলাকা। অভিযুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের পর বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তার বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়,গত ৯ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয় শিশু কলি। পরবর্তীতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর শিশুর বাড়ির মাত্র ২০০ গজ দূরের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার অনুসন্ধানে নেমে পুলিশ প্রতিবেশী মোস্তফা কামাল (প্রামাণিক) ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াসিন আলীকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করে যে,শিশুটিকে ফুসলিয়ে দোকানের পেছনের ঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
আসামিদের স্বীকারোক্তি ও নৃশংসতার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জুমার নামাজ শেষে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে প্রধান আসামি মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে চড়াও হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়িতে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং মালামাল তছনছ করে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। স্থানীয়দের দাবি, এই পাশবিক হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

















