বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর অংশ হিসেবে, প্রথম ‘ডমেস্টিক থ্রি’ ট্রফির জন্য খেলোয়াড় নির্বাচনের আগেই ড্রাফটের মাধ্যমে তাদের কোচ ও সাপোর্ট স্টাফদের বেছে নেবে ছয়টি দল।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামীকাল এই ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে। এই উদ্যোগটি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের একটি অংশ। টি-টোয়েন্টি, ৫০ ওভার এবং চার দিনের ক্রিকেটকে একই ছাতার নিচে আনার পরিকল্পনা রয়েছে বোর্ডের। যেখানে তিন ফরম্যাটেই নির্দিষ্ট ছয়টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
এইচ ব্লুস্টার, ওয়ালটন গ্রুপ, সিটিজেন ব্যাংক, একমি গ্রুপ, সেভেন রিংস সিমেন্ট এবং ফরচুন গ্রুপ- এই ছয়টি প্রতিষ্ঠান তিন বছরের চুক্তির আওতায় দলগুলোর মালিকানা স্বত্ব লাভ করেছে।
ইতোমধ্যে ছয়জন ‘আইকন’ ক্রিকেটারকেও চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইকন হিসেবে ওয়ালটনের মেহেদি হাসান মিরাজ, ফরচুনের তাওহিদ হৃদয়, একমির মোসাদ্দেক হোসেন, সেভেন রিংস সিমেন্টের মুশফিকুর রহিম, এইচ ব্লুস্টারের নুরুল হাসান সোহান এবং সিটিজেন ব্যাংকের হয়ে খেলবেন মোহাম্মদ নাঈম।
ম্যানেজমেন্ট ড্রাফটের আওতায় প্রতিটি দল ১১ সদস্যের একটি ব্যবস্থাপনা ইউনিট গঠন করবে। ড্রাফটে সাতটি পদের মধ্যে রয়েছে- প্রধান কোচ, দুজন সহকারী কোচ, ফিজিও, স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ এবং পারফম্যান্স অ্যানালিস্ট।
বাকি চারটি পদ- দলীয় ম্যানেজার, ম্যাসিয়ার এবং দুজন টিম অ্যাটেনডেন্ট সংশ্লিষ্ট দলের মালিকরা সরাসরি নিয়োগ দেবেন। তবে এক্ষেত্রে বিসিবির নির্ধারিত যোগ্যতা ও নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। এই নিয়োগগুলোর জন্য বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদনেরও প্রয়োজন হবে।
বিসিবি প্রতিটি দলের জন্য একজন করে নির্বাচক সরাসরি মনোনীত করবে। ডি থ্রি ট্রফির দল গঠনের পরবর্তী বড় ধাপ খেলোয়াড় ড্রাফট আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তিনটি ফরম্যাটের জন্য প্রতিটি দল সর্বোচ্চ ২৩ জন করে ক্রিকেটার বেছে নিতে পারবে।
বরিশালের জীবনানন্দ দাশ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৫ ডিসেম্বর টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী ডি থ্রি ট্রফি শুরু হবে। চার দিনের ফরম্যাটের প্রতিযোগিতা জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৫০ ওভারের প্রতিযোগিতা মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে। ছয়টি দল তিনটি ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ৪২টি ম্যাচ খেলবে।















