আমি মো.খোরশেদ আলম,পিতা-মৃত নুর মোহাম্মদ কালু মিয়া সাং- বাগ্নিবাড়ি, ইউনিয়ন-বিরুলিয়া,থানা- সাভার,জেলা- ঢাকা।
এতদ্বারা সর্বসাধারণ, সচেতন এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাচ্ছি যে,সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের বাগ্নিবাড়ি এলাকায় জমি সংক্রান্ত একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় টুটুল ইসলাম ও তার সহযোগী পলাশ দীর্ঘ দিন যাবৎ আমার ও আমার পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি সাধনের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
আমাদের সাথে জমি জমা সংক্রান্ত চলমান বিবাদে সুবিধা করতে না পেরে তারা চরম কুরুচিপূর্ণ, হীন ও সাজানো অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে তারা আমার স্ত্রী মুন্নি আক্তারকে ভুল বুঝিয়ে ও শিখিয়ে-পড়িয়ে আমাদের পারিবারিক বিরোধের একটি সাজানো ভিডিও তৈরি করায়। পরবর্তীতে নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং আমাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যে ওই ভিডিওটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।
আমি স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই যে:১.এটি আমার ও আমার স্ত্রীর অভ্যন্তরীণ পারিবারিক বিষয়কে পুঁজি করে তৈরি করা একটি সাজানো ও ষড়যন্ত্রমূলক ভিডিও।২.জমি সংক্রান্ত মামলা ও বিবাদকে ভিন্ন খাতে মোড় দিতেই তৃতীয় পক্ষ হিসেবে টুটুল ও পলাশ এই জঘন্য কাজ করেছে।৩.সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে ধরনের ভ্রান্ত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি ও আমার পরিবার এই ন্যক্কারজনক ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
একটি জমি সংক্রান্ত বিবাদকে কেন্দ্র করে একটি পরিবারের ব্যক্তিস্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদাহানি করার বিরুদ্ধে আমি ইতোমধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছি। একই সাথে সমাজের সচেতন বিবেকবান এলাকাবাসী এবং সাভার থানা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী: খোরশেদ আলম,বাগ্নিবাড়ি,বিরুলিয়া,সাভার,ঢাকা।

















