কুড়িগ্রাম রৌমারী উপজেলার বন্দবের ইউনিয়নের ঝুঁনকির চর গ্রামে জমি সংক্রান্ত জেরে কাজিম উদ্দিন ও বাকাত আলী গংএর মধ্যে জমি সংক্রান্ত জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে অসন্তোষ চরম আকার ধারণ করেছে। কাজিম উদ্দিন সাংসারিক অর্থ সংকটের কারনে বাংলা সন ১৩৪৫ সালে খন্জনমারা মৌজায় রায়াতি প্রজা কাজিম উদ্দন সিএস রেকর্ড মেতাবেক কাজিম উদ্দিন অর্থের অভাবে ১৩৪৫ সালে ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি বাকাত আলীর নিকট হস্তান্তর করেন।
এমত অবস্থায় এসএ রেকড শুরু হলে কাজিমুদ্দিন স্বয়ং সাথে থেকে ভোগদখল করা অবস্থায় ৩৬০ নং খতিয়ানে ৩ একর ১০ শতাংশ দুই জনের মধ্যে সমান সমান হারে রেকর্ড সম্পর্ণ করে দেন। অনুরুপভাবে ৩৬১ এসএ খতিয়ানে ৮৩ শতাংশ জমির মধ্যে কাজিম উদ্দিন ১০ গন্ডা, বাকাত আলী ১০গন্ডা ও দুখী শেখের নামে ১৪ আনা রেকর্ড সম্পুর্ণ করে দেন।
অনুরুপ বাকাত আলী ভোগ দখল করা অবস্থায় আর এস খতিয়ান শুরু হলে কাজিম উদ্দন নিজে সাথে থেকে আরএস ৬০৬ খতিয়ানে কাজিম উদ্দিন ৬২ পয়েন্ট ও বাকাত আলীর নামে ৩৮ পয়েন্ট মোট ১০০,মোট খতিয়ানে জমির পরিমান ৩ একর ৬ শতক। প্রকাশ থাকে যে,এসএ রেকর্ড অনুযায়ী আরএস রেকর্ডে জমি কম হওয়ায় ২৯ শতাংশ জমি সরকারের নামে ১নং খাস খতিয়ানে চলে যায়। চলে যাওয়ার ফলে বাকাত আলীর ওয়ারিশগণ সিভিল মোকদ্দমা দ্বার করেন।
বাকাত আলী ভোগ দখল করা অবস্থায় মৃত্যু বরণ করিলে তাহার ৪ পুত্র ২ মেয়ে অংশীদার।বাকাত আলীর ৩ পুত্র ১ মেয়ে মৃত্যু বরণ করিলে তার ওয়ারিশ গণসহ বাকাত আলীর ছোট ছেলে ইমান আলী ও বড় মেয়ে ফেলানী বেগম জীবিত রহিয়াছেন। বাকাত আলীর ৪ পুত্র ও ২ মেয়ের ওয়ারিশগণ পুর্বের ন্যায় খারিজ খাজনা হোল্ডিং করে নিয়মিত ভোগ দখল করে আসছে।
জমি রেকর্ড সম্পর্ণ করে দেন। বাকাত আলী ভোগদখল করা অবস্থায় এসএ ৩৬০ খতিয়ান নং ৩১০ ১ একর ৬৫ শতাংশ জমি কাজিম উদ্দিন বাকাত আলীকে সিুস মূলে হস্তান্তর করেন। তখন থেকে ৮৭ বছর ধরে বাকাত গং ভোগদখল করে আসছে। উক্ত বিক্রিত জমি কাজিমুু্দ্দিনের মৃত্যুর পর তার পুত্র হামেদ আলী ভূমি দস্য পিতার বিক্রিত জমি জবর দখল পূর্বক ভোগদখলের উদ্দেশ্যে তার ভাড়াটিয়া গুন্ডা ও তার আত্মীয়-স্বজন রাতের অন্ধকার জমিতে যাওয়ার চেষ্টা করে, এবং বিভিন্ন পত্রিকায় মিথ্যা খবর প্রচার প্রচারণা ছড়িয়ে দেয়, বিষয়টি মিথ্যা ভিত্তিহীন , আমি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, এবং সরকারের সদৃষ্টি কামনা করছি











