প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় নতুন করে চারজন সদস্য যুক্ত হচ্ছেন। শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠানের পর নতুন মন্ত্রীদেরও শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, নতুন চার সদস্য হলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
তবে এখানেই মন্ত্রিসভার পরিবর্তন শেষ হচ্ছে না বলে জানা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সামনে আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে রদবদল হতে পারে। সম্ভাব্য পরিবর্তনের তালিকায় রয়েছে বিমান, কৃষি, খাদ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, স্থানীয় সরকার এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
এদিকে নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে বঙ্গভবনের দরবার হলের প্রস্তুতিও শেষ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম জানিয়েছেন, শপথের জন্য প্রয়োজনীয় সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে ১ হাজার ২০০-এর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।
আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্ধারিত সময়ে দরবার হলে প্রবেশ করার পর জাতীয় সংগীত ও পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর ভারপ্রাপ্ত স্পিকার তাকে রাষ্ট্রপতির শপথ পড়াবেন।
এর আগে গত ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। মোট ৩৪৯ জন ভোটারের মধ্যে ৩৪৩টি ভোট বৈধ ছিল।











