জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজে অযৌক্তিকভাবে বিভিন্ন খাতের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং বর্ধিত ফি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণির শতাধিক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা “অযৌক্তিক ফি বৃদ্ধি মানি না, মানব না”, “শিক্ষা কোনো বাণিজ্য নয়” ইত্যাদি স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে তাদের যৌক্তিক দাবি তুলে ধরেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, কোনো ধরনের পূর্ব আলোচনা বা সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যতিরেখে হঠাৎ করে ভর্তি ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক ফি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে হঠাৎ ফি বাড়ানোর ফলে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। অভিভাবকরাও শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবি জানান। কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদল প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের নিকট একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি গ্রহণ ও অধ্যক্ষের প্রতিক্রিয়া:শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি গ্রহণ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “শিক্ষার্থীদের দাবিসংবলিত স্মারকলিপি আমরা হাতে পেয়েছি। প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যয়, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের মান ধরে রাখার ধারাবাহিকতায় ফি পুনর্নির্ধারণের একটি প্রস্তাব বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও অভিভাবকদের ওপর বাড়তি চাপের বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। দ্রুতই পরিচালনা পর্ষদ ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সাথে বৈঠক করে পুরো বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে এবং সবার স্বার্থ রক্ষা হয়—এমন একটি ইতিবাচক ও যৌক্তিক সমাধান খুঁজে বের করা হবে।”
প্রতিষ্ঠানের সার্বিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় পরিচালনা পর্ষদ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।












