মেমোরি চিপের বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেই ট্রাম্প মোবাইলের টি১ স্মার্টফোনের দাম বড় ধরনের বাড়ানো হয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই ফোনটির মূল্য ৪৯৯ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৭৪৯ ডলার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোম্পানির ওয়েবসাইটেই নতুন দাম যুক্ত করা হয়েছে। তবে কেন এতটা দাম বাড়ানো হলো, সে বিষয়ে ট্রাম্প মোবাইলের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
বিশ্লেষকদের ধারণা, বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের সরবরাহ সংকটের প্রভাব এর পেছনে থাকতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক পণ্যে ব্যবহৃত মেমোরি চিপের চাহিদা বেড়েছে। এ পরিস্থিতিকে প্রযুক্তি খাতে অনেকে ‘র্যাম্যাগডন’ নামে অভিহিত করছেন।
শুধু ট্রাম্প মোবাইল নয়, চিপ সংকটের প্রভাব অন্যান্য প্রযুক্তি কোম্পানির পণ্যের দামেও পড়ছে। অ্যাপল সম্প্রতি পুরোনো কয়েকটি আইফোন মডেলের দাম ১০০ ডলার পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এর আগে আইপ্যাডের দাম সর্বোচ্চ ২০০ ডলার, ম্যাকবুক ৫০০ ডলার এবং ম্যাক স্টুডিওর দাম সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩০০ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।
টি১ ফোনটির আগের ৪৯৯ ডলারের মূল্য নিয়েও অবশ্য প্রশ্ন ছিল। ট্রাম্প মোবাইলের কর্মকর্তারা তখন জানিয়েছিলেন, এটি ছিল প্রাথমিক মূল্য এবং ভবিষ্যতে ফোনটির দাম ৯৯৯ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
ফোনটির উৎপাদন নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইফিক্সইটের এক বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, টি১ যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি নয়। বরং এটি এইচটিসির তৈরি একটি ফোনের সামান্য পরিবর্তিত সংস্করণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।












