সাংবিধানিক সংস্কারের গণভোটের জনরায় বাস্তবায়ন, দেশব্যাপী সার ও জ্বালানি সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্নীতি ও দখলবাজি বন্ধের দাবিতে আগামীকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানী থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বিরোধী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘ঢাকা টু রংপুর লংমার্চ’। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে দেশবাসীকে এই কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী,শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬)সকাল ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর লংমার্চের বহরটি গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস, টাঙ্গাইলের নগর জলফৈ, সিরাজগঞ্জের হাতিকুমড়ুল, বগুড়ার চারমাথা এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে একাধিক পথসভা শেষে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে গিয়ে চূড়ান্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে।
লংমার্চের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—গণভোটের গণরায় অনুযায়ী অবিলম্বে শাসনতান্ত্রিক সংস্কার বাস্তবায়ন ও কাউন্সিল আহ্বান। কৃষক ও শিল্প খাতের রক্ষায় সার, বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের তীব্র সংকট নিরসন করা। জুলাই অভ্যুত্থানের সার্বিক বিচারের দৃশ্যমান অগ্রগতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ ও সাধারণ মানুষের ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমানো।দুর্নীতি,চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও দলীয়করণ পুরোপুরি বন্ধ করা। তিস্তা মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে দ্রুত ও কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও নেতারা জানান, সংসদ ও রাজপথে জনস্বার্থ তুলে ধরা হলেও সরকার সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সার ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের কৃষি ও শিল্প উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এই শান্তিপূর্ণ লংমার্চে কোনো ধরনের উস্কানিতে না জড়িয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন জোরদার করার জন্য জোটের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।














