পাবনায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার তরুণী কলির শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা ও সমবেদনা জানাতে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) তাঁর নিজ বাসভবনে যান পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
তিনি নিহত কলির পিতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার দৃপ্ত আশ্বাস প্রদান করেন।
তবে এমপি মহোদয়ের এই সান্ত্বনার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের পরিবারের মধ্যে দেখা দিয়েছে গভীর ক্ষোভ ও হতাশা। এলাকাবাসী স্মরণ করিয়ে দেন যে, পাবনায় এর আগেও ১০ বছরের শিশু হাফসাকে দুই নরপশু মিলে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করেছিল। ওই ঘটনায় আসামিরা অপরাধ স্বীকার করার পরও আজও পর্যন্ত অপরাধীদের বিচার সম্পন্ন হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, হাফসা হত্যাকাণ্ডের মতো নৃশংস ঘটনায় যদি সঠিক সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হতো, তবে দুষ্কৃতকারীরা আর সাহস পেত না এবং কলির মতো একটি তাজা প্রাণ এভাবে ঝরে যেত না। অপরাধীদের জবানবন্দি ও স্পষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতাকে “অন্ধ বিচার ব্যবস্থা” হিসেবে আখ্যায়িত করছেন ক্ষুব্ধ পাবনাবাসী।
এলাকাবাসী এমপি শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে জেলার অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে অবিলম্বে এই জোড়া নৃশংস ঘটনার বিচার সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন।
অপরাধীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি ও রায় কার্যকরের উদ্যোগ নিয়ে পাবনায় এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের অনুরোধ করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে পাবনাসহ দেশের কোথাও আর কোনো শিশু বা নারীকে এমন নির্মমতার শিকার হতে না হয়। বিচারে দ্রুত রায় কার্যকর ও বিচার বিভাগের কার্যকারিতা নিশ্চিত করে অন্ধ বিচার ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করছেন সর্বস্তরের অভিভাবক ও সাধারণ জনগণ।




















