সর্বশেষ

গাজীপুরে মেয়র পদে বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী, জামায়াতের প্রার্থী হাফিজুর

অনলাইন ডেস্ক

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় হচ্ছেন। বিএনপির মধ্যে মেয়র পদে একাধিক নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেও জামায়াতে ইসলামী আগেই তাদের প্রার্থী হিসেবে ড. মুহাম্মদ হাফিজুর রহমানের নাম ঘোষণা করেছে।বর্তমানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে নির্বাচিত মেয়র নেই। প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার। বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের আলোচনায় তার নামও রয়েছে। তবে দল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেনি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক মেয়র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট ড. শহীদুজ্জামান, আফজাল হোসেন কায়সার, সাবেক কাউন্সিলর হান্নান মিয়া হান্নু এবং হাসান আজমল ভূঁইয়াসহ কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে।

প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারও দলের মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলে বিএনপি দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করবে এবং তখন দলীয়ভাবে নির্বাচনী মাঠে নামা হবে।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী গাজীপুরে ড. মুহাম্মদ হাফিজুর রহমানকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। তিনি তুরস্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। মে মাসে টঙ্গীর তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার তার নাম ঘোষণা করেন।

রাজনৈতিক বক্তব্যে শালীনতা বজায় রাখার আহ্বান রিজভীর

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে গাজীপুর সিটি মেয়র পদে দলটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। বিভিন্ন আলোচনায় অ্যাডভোকেট আলী নাসের খানের নাম থাকলেও বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ অন্যান্য দলও গাজীপুর সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আগের তিন নির্বাচনের চিত্র

২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত অধ্যাপক এম এ মান্নান ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আজমত উল্লা খান পেয়েছিলেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮৬৭ ভোট।

২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ৪ লাখ ১০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার পান ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬১১ ভোট।

আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবার ফাঁসির মুখে পড়তে হবে: রাশেদ খান

২০২৩ সালের নির্বাচনে বিএনপিসহ কয়েকটি বিরোধী দল অংশ নেয়নি। ওই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৪ ভোট পেয়ে জয় পান। আওয়ামী লীগ-সমর্থিত আজমত উল্লা খান পান ২ লাখ ২২ হাজার ৭৩৭ ভোট।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আয়তন ৩২৯ দশমিক ৫৩ বর্গকিলোমিটার। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবারও বড় দুই দলসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

দৈনিক আমাদের খবর একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ ও জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নির্ভুলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

×

নিউজ কার্ড প্রিভিউ (HTML Version)

News Image
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Trulli

গাজীপুরে মেয়র পদে বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী, জামায়াতের প্রার্থী হাফিজুর