রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মীর মধ্যে ১৪ জনকে তিন দিন এবং একজনকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।এর আগে সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. শওকত হাসানুর রহমান রিমনের উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন মো. ইয়াকুব হোসাইন রাজিব, আরাফাত মিয়া, রিফাত হাওলাদার, হৃদয় হাসান, ফাহিম, রাজিব হোসেন রানা, মো. ফিরোজ, মো. আরিফ, মো. ওমর ফারুক, আব্দুল্লাহ আল আমান, সোহানুর হোসেন শাহিন, মো. হাসিব ও হাসিব মিয়া। ফারাজানা নামে আরেক আসামিকে এক দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই ইকবাল হোসেন সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিন রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সাবেক এমপির বাসায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কয়েকজন কর্মী রাষ্ট্রের অবকাঠামো ধ্বংস ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির লক্ষ্যে ষড়যন্ত্র এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পুলিশের অভিযান টের পেয়ে ২০ থেকে ২২ জন পালিয়ে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানের সময় একটি কক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিরা ইউনিয়ন কমিটির পদপ্রার্থী ২০ জনের নাম ও জীবনবৃত্তান্ত সংবলিত কাগজপত্র জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছেন।এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।














