গাজীপুরে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের নেত্রী ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ফাতেমা আক্তারকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে। এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি।
স্থানীয় সূত্র ও সহকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে পেশাগত দায়িত্ব পালন ও ব্যক্তিগত অবস্থানকালে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ফাতেমা আক্তারের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পরপরই যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর এ ধরনের সশস্ত্র হামলা মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য চরম হুমকি। দেশে বারবার সাংবাদিকদের ওপর হামলা হলেও দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন:হামলাকারী ব্যক্তি যে-ই হোক না কেন, তার সামাজিক বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে অবিলম্বে তাদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করতে হবে।নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবি: গাজীপুরসহ সারা দেশে মাঠপর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। ঘটনায় জড়িত মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করা হলে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয় সংগঠন দুটি।
এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
















