কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে হুরমুজ আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এঘটনায় উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্সের সময় একটি বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের খেরুয়ার চর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও এলাকাবাসী ও পরিবার সুত্রে জানা গেছে সেলিম মিয়া ও শহিদ/তোতা মিয়ার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও মামলা চলে আসছিল।
এর পর বৃহস্পতিবার বিবাদী শহীদ পরিবার গং বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘরবাড়ির কাজ করতেছিলেন। এমন সময়ে সেলিম গং খবর পেয়ে ওই জমিতে যান। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয় ।
এসময় হরমুজ আলী ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সংঘর্ষে গুরতর আহত হয় সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম আহমেদ (৪৫), রিয়াজুল হক (৪৬), মহসিন হক রাজা (৭০) , মনির হোসেন (৩৫), শহীদ মিয়া (৫৫), হাসিনা বেগম (৫৫) আমিনুল ইসলাম (৩০)সহ আহতদের উদ্ধার করে রৌমারীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম মিয়া বলেন, চরে আমাদের সাড়ে ৭ একর জমি রয়েছে। আমাদের জমিতে শহীদ পরিবার গংরা ঘরবাড়ি করার চেষ্টা করছে। এব্যাপারে ঢুষমারা থানায় উভয় পক্ষের কাগজপত্র নিয়ে বসা হয়েছিল। সেই সাথেও কোর্টের মামলা রয়েছে তারা আজ আমাদের উপর আক্রমনাত্মকভাবে অস্ত্রসস্ত্রে এসে এ্যালোপারি মারামারি শুরু করলে আমার ভাই হুরমুজ ঘটনা স্থলেই মারা যায়। এবিষয়ে রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা দীর্ঘদিন থেকে জমি আমাদের ভোগদখল রয়েছে। হঠাৎ করে সেলিম মেম্বার গ্রুপ এসে জমির দাবী করেন। আজ তারা আমাদের উপর আক্রমন করে এবং আমার বাপ, দাদা এবং দাদি চাচিকে গুরুতর আঘাত করে আহত করেছেন।
ঢুষমারা থানার অফিসার ইনচার্জ এমআর সাঈদ জানান, দুপুরের দিকে সংঘর্ষের খবর পাই এবং সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। পরে হরমুজ আলী নামে একজনকে মৃত্যু অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় থানায় নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কোন আসামীকে আটক করতে পারি নাই। তবে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


















