শেরপুরে নিয়মবহির্ভূত ভাবে আবাসিক ভবনে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্য রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান অভিযানে নেতৃত্ব দেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুত রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি আবাসিক ভবনে স্থায়ী ভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন আদালত।
সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের মালিকানাধীন মেসার্স শিমলা ট্রেডার্স দীর্ঘদিন ধরে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে প্রান্তিক কৃষক ও দোকানদারদের কাছে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিলেন। তাদের খুচরা তেল বিক্রির লাইসেন্স থাকলেও পরে আবাসিক ভবনের নিচে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতার একটি বড় ট্যাংক নির্মাণ করা হয়। সেখানে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুত করে রাখা হয়েছিল। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরসহ কয়েকটি সরকারি দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্রও তাদের কাছে পাওয়া যায়নি।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তবে এ বিষয়ে ব্যবসায়ী তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলালের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।













