প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে এবং ভূমি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সাভার উপজেলায় (সংযুক্তি) কর্মরত সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা(চ.দা)লতিফ মল্লিক। কর্মক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা ও জনবান্ধব আচরণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে সাভারবাসীর মনে এক অনন্য স্থান করে নিয়েছেন। ভূমি সেবা নিয়ে যেখানে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ থাকে না, সেখানে লতিফ মল্লিকের আদালতের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন ।
হয়রানি ও দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করে সাধারণ মানুষকে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, সাভারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল ‘বর বরদেশী’ মৌজার প্রতিটি মামলার সুচারুভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করে রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অনন্য দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। যেকোনো বিরোধপূর্ণ জমিতে শুধু কাগজের ওপর নির্ভর না করে, তিনি নিজে সরেজমিনে গিয়ে জমির মালিকানা ও প্রকৃত দখল প্রত্যক্ষ করেন।
এরপর আইন ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে রায় প্রদান করেন। তাঁর এই ‘সরেজমিনে সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার পদ্ধতি একদিকে যেমন মামলার জট কমাচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত জমির মালিকরা ফিরে পাচ্ছেন তাদের অধিকার। ভূমি বান্ধব এই কর্মকর্তার দায়িত্ববোধ ও ন্যায় পরায়নতায় মুগ্ধ হয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বয়োবৃদ্ধ মোঃ জয়নাল আবেদন এ প্রতিবেদককে বলেন,আমি ৩০ ধারা মামলার রায়ের মাধ্যমে হারানো জমি ফিরে পেয়েছি,লতিফ মল্লিক স্যার কোন ধরনের অন্যায় চাপের কাছে মাথা নত না করে সঠিক ও ইনসাফের মাধ্যমে আমার দাবিকৃত জমির রের্কড আমার নামে করে দিয়েছে।
এ ছাড়া তিনি প্রতিটি মামলার বাদী ও বিবাদীর কথা অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং দ্রুত সমাধান দেন।” “লতিফ মল্লিক একজন ন্যায়নিষ্ঠ ও জনবান্ধব কর্মকর্তা। বর বরদেশী মৌজার জটিল মামলাগুলো তিনি যেভাবে নিজে মাঠে গিয়ে তদারকি করে সমাধান করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাঁর মতো কর্মকর্তা প্রতিটি দপ্তরে থাকলে দেশের মানুষ অনায়াসে ন্যায়বিচার পেত।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, লতিফ মল্লিক শুধু একজন সরকারি কর্মকর্তাই নন, বরং তিনি একজন সত্যিকারের সেবক। কোনো ধরনের লোভ-লালসা বা চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে, ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তার এ সততা এবং ন্যায় নিষ্ঠার বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা যারা সরকারি কর্মকর্তা রয়েছি তারা সকলেই জনগণের সেবক,জনগণের ট্যাক্সের টাকায় আমরা বেতন পেয়ে থাকি।
তাই জনগনকে নিরপেক্ষ ও সঠিক সেবার মাধ্যমে বিরোধ পূর্ণ রেকর্ড সম্পাদন করাই আমাদের দায়িত্ব,আমরা সেই দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করে যাচ্ছি। এ ছাড়াও তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে আমাদের উপর অন্যায় চাপ আসে, আমি কোনদিন অন্যায়ের সাথে আপোস করিনি আর করবো না। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে, বিভিন্ন অপমহল, স্থানীয় দালাল ও হলুদ সাংবাদিক কর্তৃক কিছু অখ্যাত নিবন্ধন বিহীন অনলাইন পত্রিকায় চালানো অপপ্রচারের বিষয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এতে আমি ভীত নয় কোন ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে আমার দায়িত্ববোধ ও সততা থেকে বিচ্যুত করা যাবে না, তিনি বিভিন্ন অপসাংবাদিক নামধারী হলুদ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের আয়না ও রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ, সঠিক তথ্য বহুল সংবাদ যেমন রাষ্ট্র গঠনের ভূমিকা পালন করে তেমনি ভুল মনগড়া কল্পকাহিনী সাজিয়ে সংবাদ প্রকাশে জনমনে সঠিক তথ্য বিভ্রান্ত ঘটে। আমি যতদিন এখানে থাকবো সততা ও ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাবো।কোন অপমহলের চালানো অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি সকলের প্রতি।


















