অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ডারউইন টেস্টে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। এই জয়কে দেশের ক্রিকেটের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর মতে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের নিজেদের মাঠে এই জয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।ডারউইনে পাওয়া জয়টির আরেকটি দিকও গুরুত্বপূর্ণ। উইকেটের ব্যবধান বিবেচনায় অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোনো এশীয় দলের জন্য এটিকে বড় জয়ের একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। চলতি শতাব্দীতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাকিস্তানেরও টেস্ট জয় নেই; শ্রীলঙ্কাও এখন পর্যন্ত সেখানে জয় পায়নি।
এমন ঐতিহাসিক সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই সামনে এসেছে ক্রিকেটারদের জন্য বোনাসের প্রশ্ন।বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, খেলোয়াড়দের বোনাসের বিষয়টি বোর্ড ও দলের অভ্যন্তরীণ আলোচনার মধ্যেই রাখা হবে।তিনি বলেন, এ বিষয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে দলের এই সাফল্যে বিসিবি অত্যন্ত গর্বিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিসিবি সভাপতির ভাষায়, ডারউইনের জয় শুধু একটি ম্যাচের ফল নয়; আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের সক্ষমতার বিষয়ে এটি একটি শক্তিশালী বার্তা দেবে।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সম্ভাবনা
ডারউইনের সাফল্যের পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে বাংলাদেশের অবস্থান আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। পয়েন্ট টেবিলে দলটি এখন চতুর্থ স্থানে রয়েছে।এই চক্রে বাংলাদেশের সামনে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি করে টেস্ট রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তাদের বিপক্ষেও দুটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ।ঘরের মাঠে চারটি টেস্টেই জয় পেলে চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব বেশি দূরের হিসাব করতে চান না তামিম ইকবাল। তার মতে, দল যেভাবে খেলছে তাতে যেকোনো কিছুই সম্ভব। পরবর্তী পরিকল্পনা ঠিক করার দায়িত্ব টিম ম্যানেজমেন্ট ও খেলোয়াড়দের।










