অসত্য, মিথ্যা মনগড়া কল্পকাহিনী সাজিয়ে কোন লাভ হবে না বলে জানিয়েছেন যাদবপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে আমার নামে আমিনবাজার এবং বর্তমান কর্মস্থল যাদবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে জড়িয়ে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, বানোয়াট, কাল্পনিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। প্রকৃত সত্য এই যে, সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমি সর্বদা সততা, নিষ্ঠা ও নিয়মানুবর্তিতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছি। কোন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা তথাকথিত সিন্ডিকেটের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।
সরকারি চাকরিতে বদলি একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং নিয়মিত প্রক্রিয়া। যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের আলোকেই আমাকে বদলি করা হয়েছে। এটিকে তথাকথিত “প্রাইজ পোস্টিং” বা কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রচার করা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
যাদবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকে আমি নিয়মিত এবং সরকারি বিধিমালা মেনে দায়িত্ব পালন করছি। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে অফিস না করা কিংবা সপ্তাহে মাত্র দুইদিন অফিস করার যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক।
এ ছাড়াও গত ২৪জুন আমি অফিসে উপস্থিত থেকে আমার কার্য সম্পাদন করার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহোদয় সহ অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে তাদের কার্যালয়ে গিয়েও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছি তারপরও উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে মিথ্যা নিউজ করে অফিসে অনুপস্থিতির কথা বলে আমার সম্মানহানি করছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যৌক্তিক কারণে ছুটি গ্রহণ করা প্রতিটি কর্মচারীর আইনগত অধিকার, যা নিয়ম মেনেই করা হয়েছে। এ ছাড়া ভূমি মন্ত্রণালয়ের চলমান অটোমেশন কার্যক্রম সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
ইউএনডিপির অটোমেশন প্রকল্পের কর্মীদের সাথে কোনো প্রকার অ-সৌজন্যমূলক আচরণের প্রশ্নই আসে না, বরং তাদেরকে দাপ্তরিকভাবে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া জনগণের মূল্যবান রেজিস্ট্রার বা নথিপত্র অরক্ষিত রাখার দাবিটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অফিসের সকল সরকারি নথিপত্র যথাযথ নিরাপত্তা ও নিয়ম মেনেই সংরক্ষণ করা হয়। এ ছাড়া কোনো রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে পদায়নের বিষয়টি সম্পূর্ণ অসত্য।
একজন পেশাদার সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমি কেবলমাত্র রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ। একটি মহল ব্যক্তিগত আক্রোশ ও প্রতিহিংসাবশত আমার দীর্ঘদিনের সুনামে কালিমা লেপন করতে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় এই ধরনের মনগড়া ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে এই ধরনের অসত্য, যাচাইবিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। সঠিক তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করে সংবাদ প্রকাশ করে রাষ্ট্রের যেমন উপকার করা যায় তেমনি মিথ্যা তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করে সংবাদ প্রকাশ করে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা মুলধারার সাংবাদিকতার পরিপন্থী।













