দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে কেন্দ্র করে কালচারাল ট্যুরিজম বা সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সঙ্গে পর্যটন উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
সভায় জানানো হয়, দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর সাংস্কৃতিক পর্যটনের জন্য অভিন্ন নীতিমালা ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করা হবে। একই সঙ্গে গঠন করা হবে ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প এবং এর সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। সরকার এই অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
সভায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দেশের বিমানবন্দরগুলোতে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের কাছে ‘নজরুল বর্ষ’-এর প্রচারণা চালানোর প্রস্তাব দেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন পর্যটনমন্ত্রী।
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের দেশীয় ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরোনো। এই ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে সরকার কাজ করছে।
তিনি জানান, দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন টাস্কফোর্সের সদস্যরা। পরিদর্শনের পর প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।












