সর্বশেষ

​বিমানবন্দরে পরিচালককে লাঞ্ছিত করার হুমকি জামায়াত নেতার: আসল ঘটনা কী?

​বিশেষ প্রতিনিধি

বিমানবন্দরের পরিচালককে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার এক বিস্ফোরক হুমকি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও জনমনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত জামায়াত নেতার এমন বক্তব্যের পর থেকে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

​সম্প্রতি এক বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় এক নেতা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট পরিচালকের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন যে,বিমানবন্দর পরিচালকের কার্যালয়ে সাধারণ যাত্রী,প্রবাসীদের নানা ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা ও দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

​এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই নেতা বলেন,যদি বিমানবন্দর পরিচালক অবিলম্বে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধ না করেন এবং নিজের প্রশাসনিক ভুল শুধরে না নেন, তবে তাঁকে ‘ঘাড় ধাক্কা দিয়ে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হবে’।

বিশ্ব হৃদয় দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহ সেমিনার ও রেলি অনুষ্ঠিত

​অনুসন্ধানে জানা যায়, ঘটনার মূল সূত্রপাত বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি,সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কিছু নিয়মকানুন এবং প্রবাসীদের লাগেজ কেন্দ্রিক নানা জটিলতাকে কেন্দ্র করে। জামায়াত নেতার সমর্থক ও স্থানীয়দের দাবি—বিমানবন্দরে রেমিট্যান্স যুদ্ধা অর্থাৎ প্রবাসী শ্রমিকদের অনর্থক সময়ক্ষেপণ ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে সাধারণ নাগরিকরা অভিযোগ জানাতে গেলে যথাযথ সাড়া পান না। ​দীর্ঘদিনের জমে থাকা প্রশাসনিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধছিল।

​তবে এই বক্তব্যকে প্রশাসনিক শিষ্টাচারবহির্ভূত এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার উসকানি বলে মনে করছেন বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি,একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল জাতীয় স্থাপনায় সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে সরাসরি এমন হুমকি দেওয়া আইনত দণ্ডনীয় এবং প্রশাসনিক সুরক্ষার জন্য হুমকিস্বরূপ।

​ঘটনাটি সামাজিকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মাঝে দুই ধরনের মতামত দেখা যাচ্ছে। একাংশ মনে করছেন, বিমানবন্দরে প্রশাসনিক হয়রানির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেওয়া দরকার ছিল; অন্যদিকে বড় একটি অংশ মনে করছেন, কোনো অনিয়মের প্রতিবাদ করার আইনি পথ রয়েছে, কিন্তু ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার মতো হুমকি দেওয়া প্রশাসনিক শিষ্টাচার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী।

সাভারে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

​সার্বিক বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলে জানা গেছে।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

দৈনিক আমাদের খবর একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ ও জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নির্ভুলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

×

নিউজ কার্ড প্রিভিউ (HTML Version)

News Image
০২ অক্টোবর ২০২৬
Trulli

​বিমানবন্দরে পরিচালককে লাঞ্ছিত করার হুমকি জামায়াত নেতার: আসল ঘটনা কী?