সর্বশেষ

সীমান্ত ইস্যুতে দিল্লি-বেইজিং বৈঠক, চীনে যাচ্ছেন অজিত দোভাল

অনলাইন ডেস্ক

ভারত ও চীনের দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে আগামী সোমবার বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।চীন সফরে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে বসবেন তিনি। দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা নিয়ে এটি হবে ২৫তম দফার বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনা।

২০০৩ সাল থেকে ভারত-চীন সীমান্ত বিরোধের রাজনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজতে এই বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনা হয়ে আসছে। দোভালের এবারের সফরে মঙ্গলবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে যখন আবারও কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই এই বৈঠক হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে অরুণাচল প্রদেশকে ঘিরে ভারত ও চীনের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে।

এর আগে গত বছর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২৪তম বৈঠক। এবার প্রথমবারের মতো বেইজিংয়ে এই পর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে যাচ্ছেন দোভাল।তার সফরের সময়টিও কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। চীন এই জোটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সীমাপুরীতে পাঁচতলা ভবন ধস, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকার আশঙ্কা

যদিও বেইজিং এখনো শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি, তবে দিল্লি ও বেইজিং—দুই পক্ষই সম্ভাবনাটি নিয়ে আশাবাদী। সে ক্ষেত্রে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দোভালের সফর দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সম্ভাব্য বৈঠকের পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হতে পারে।এদিকে শনিবার নয়াদিল্লিতে এক আলোচনায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে হলে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখা জরুরি।

২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাদের সংঘর্ষের পর ভারত-চীন সম্পর্ক দীর্ঘ সময় ধরে অচলাবস্থায় ছিল। পরে ২০২৪ সালে রাশিয়ার কাজানে মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকের পর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া কিছুটা গতি পায়।

মামদানির প্রথম বছরেই বিশ্বের সেরা শহর নিউইয়র্ক

সম্প্রতি কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর সিকিমের নাথুলা, হিমাচল প্রদেশের শিপকিলা এবং উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ দিয়ে ভারত-চীন বাণিজ্যপথও আবার চালু হয়েছে।তবে অরুণাচল নিয়ে দুই দেশের মতবিরোধ নতুন করে সামনে এসেছে। চীন বিভিন্ন সময়ে অঞ্চলটির বিভিন্ন স্থানের নতুন নাম দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও ভারত তা প্রত্যাখ্যান করেছে।এই পরিস্থিতিতে দোভালের বেইজিং সফরকে সীমান্তে আস্থা পুনর্গঠন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও স্বাভাবিক করার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ADVERTISEMENT
ADVERTISEMENT

দৈনিক আমাদের খবর একটি বাংলা ভাষার অনলাইন সংবাদমাধ্যম। দেশ-বিদেশের সর্বশেষ সংবাদ ও জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নির্ভুলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

×

নিউজ কার্ড প্রিভিউ (HTML Version)

News Image
২৩ আগস্ট ২০২৬
Trulli

সীমান্ত ইস্যুতে দিল্লি-বেইজিং বৈঠক, চীনে যাচ্ছেন অজিত দোভাল