আওয়ামী লীগকে রক্ষার শর্তে দলটির বিভিন্ন সম্পদ থেকে এনসিপির অনেক নেতা সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগ করেন।পোস্টে আবু হানিফ দাবি করেন, মাদারীপুর সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা তুষারের গাড়ি ব্যবহার করছেন এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী।তুষার সম্পর্কে তিনি দাবি করেন, ২০২২ সালে বিএনপি-জামায়াতের ‘নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে তিনি মিছিল করেছিলেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এক সংসদ সদস্যের নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণাতেও অংশ নিয়েছিলেন।
আবু হানিফের অভিযোগ, শুধু নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী নন, এনসিপির আরও অনেক নেতা আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পদ ব্যবহার বা ভোগ করছেন এবং এর বিনিময়ে তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগপন্থী এক বড় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সারজিস ও আখতার ৫০ লাখ টাকা নিয়েছিলেন।পোস্টে তিনি কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শ্যামলের উদাহরণও তুলে ধরেন। আবু হানিফের দাবি, শ্যামলের মূল ব্যবসা ছিল ডিশ বা কেবল ব্যবসা। ৫ আগস্টের পর ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য তিনি এনসিপির এক নেতাকে মোটা অঙ্কের টাকা দেন।
তার অভিযোগ, কিশোরগঞ্জে এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রমের সব খরচ বহন করার শর্তে শ্যামলকে দলটিতে একটি পদ দেওয়া হয়।আবু হানিফ আরও বলেন, শ্যামলসহ তিনজনকে এনসিপিতে যুক্ত করার ঘটনায় আওয়ামী লীগ তাদের দল থেকে বহিষ্কার করেছিল।তার দাবি, ৫ আগস্টের পর কেন্দ্র থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পদ ব্যবহার বা ভোগ করার বিনিময়ে তাদের রক্ষা করেছেন এনসিপির কিছু নেতা।তবে আবু হানিফের এসব বক্তব্য অভিযোগ ও রাজনৈতিক দাবির আকারে এসেছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এনসিপি নেতা বা অন্য অভিযুক্তদের বক্তব্য ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি।
















