ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মাহিদা আক্তার (৭) নামের এক দ্বিতীয় শ্রেণির মাদরাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরের দিকে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের আন্দিদিল গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ,শিশুটিকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করেছে তার আপন চাচা জাহিদুল ইসলাম।
নিহত মাহিদা আন্দিদিল গ্রামের সৌদি প্রবাসী মোজাম্মেল মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মাদরাসার নাজেরা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,শুক্রবার সকালে মাহিদা নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর একপর্যায়ে অভিযুক্ত চাচা জাহিদুলের ঘরের ভেতর থেকে তার মরদেহ দেখতে পান। শিশুটির শরীরে আঘাত ও নির্যাতনের আলামত দেখে পরিবারের সদস্যরা ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ তোলেন।
ঘটনার পরপরই এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা জাহিদুলের বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালায় ও জাহিদুলকে আটক করে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জাহিদুলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত শিশুটির স্বজনরা অভিযুক্ত জাহিদুলের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জানান,সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার মূল অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।













