কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ রাজধানীর গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের সাহস জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যোগাযোগ করেই পাচ্ছে কি না—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
শনিবার সকালে ঝিনাইদহে সরকারের তিন মাসের ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি। পরে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র্যালি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগ হয়তো জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করেই এ ধরনের মিছিলের সাহস পেয়েছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত একসঙ্গে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল—সেই প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি।
জামায়াত নেতাদের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসা নিয়ে আপত্তি না থাকার বক্তব্যের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, জনগণ আর আওয়ামী লীগের রাজনীতি গ্রহণ করবে না—এটাই বাস্তবতা বলে তিনি মনে করেন।
বিএনপির আন্দোলনের ভূমিকা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে। এ আন্দোলনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পক্ষে বিএনপি। তবে জামায়াত ও এনসিপি সেই ঐক্যের মধ্যে বিভাজন তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এর আগে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক সচেতনতামূলক র্যালিতে অংশ নেন রাশেদ খান। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু ও আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।














